Posts

Showing posts from June, 2014

ভাবীর সাথে ফুটবল খেলার মজা

আমি সজীব, ফুটবল খেলা নিয়ে চারদিকে হৈচৈ কিন্তু আমার মন খুব খারাপ কারন বাসার টিভিটি ইদানিং সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমি শহরে থাকি কে দিবে এত রাতে টিভি দেখতে তাছাড়া আমি এখানে এসেছি মাত্র তিন চার মাস হয়েছে, তাই পাশের ফ্লাটের আসিক ভাই কে বললাম আমি কি আপনার বাসায় খেলা দেখতে পারি? আসিক ভাই বল্ল- সজীব তুমি এখনও বাচ্চা ছেলের মত কথা বল, খেলা দেখবে তুমি আমাকে বলতে হবে কেন? যখন খুসি চলে আসবে।

প্লিজ একটা কিছু কর আমি আর পারছিনা

আমি স্বপন, জীবনে ভিবিন্ন উপায়ে পটিয়ে অনেক মেয়ে ভুগ করেছি। যদি গণনা করা হয় তাহলে মনে হয় ইউনিভারসিটির প্রথম বর্ষে সেঞ্চুরি হয়ে গেছে। দ্বিতীয় বর্ষে ক্লাসে যুগ দেবার কিছুদিন পর জুনিয়র ব্যাচের একটি মেয়েকে দেখে মাথা থেকে পা পর্যন্ত কাপাকাপি সুরু হয়ে গেল। মেয়ে টা সম্পর্কে খবর নিয়ে দেখি মেয়েটির নাম নদী- আমাদের এক সিনিয়র ভাই এর গার্ল ফ্রেন্ড, যেখানে সুন্দর মেয়ে সেখানে আমার মত মডেল মার্কা চুদন বাজ থাকবে না এ কেমন করে হয়। আমি জানি সিনিয়র ভাই আরেকটা নতুন মাল পেলে নদীকে ছেড়ে দিবে তখন তার পাসে আমাকে থাকতে হবে।

গহীন জঙ্গলের আকাশে বাতাসে অ-আ শব্দের প্রতিধনি

আমি কাউসার, ক্লাস নাইনের একটা মেয়েকে প্রাইবেট পড়াই। মেয়েটির নাম রিনা, প্রায় পড়ানুর সময়  আমি রিনার দুধে পাছায় শরীরে হাত ছুয়ে দিই। আমি পড়ানুর কারনে রিনা ক্লাসের মদ্যে সবচেয়ে ভাল রেসাল্ট করেছে তাই রিনা কে বল্লাম ক্লাসে ভাল রেসাল্ট করায় তুমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।  রিনা বল্ল কি? আমি বললাম তুমাকে একটা জায়গায় বেড়াতে নিয়ে যাব। আমি জানি  কিশোরী বয়সে মেয়েরা  বেড়াতে পছন্দ করে। রিনা বল্ল আম্মু যেতে দিবে না। আমি বল্লাম সমস্যা নেই আমরা তুমার আম্মু কে না জানিয়েই বেড়াতে যাব যদি তুমি চাও । রিনা বলল ঠিক আছে স্যার কখন বেড়াতে নিয়ে যাবেন। আমি বললাম কাল তুমার ক্লাসে যাবার দরকার নেই তুমার স্কুলের সামনে আমি দারিয়ে থাকব সেখান থেকে আমি তুমাকে নিয়ে বেড়াতে যাব।

ভাবীর বিয়ে হয়েছে কিন্তু আসল স্বাদ পায়নি

আমি তাহের, আমার অনেক দিনের ইচ্ছে বিদেশে গিয়ে লেখা পড়া করব তাই একটি কোচিং সেন্টারে ইংলিশ কোর্স এ ভর্তি হলাম। ক্লাসে গিয়ে দেখি একটি সুন্দর মেয়ে এসেছে সব টিচার থেকে সুরু করে সব ছেলেরাই পাগল একটি মেয়ের জন্য। মেয়েটির সাথে পরিচয় হলাম, মেয়েটি বল্ল তার নাম আরনিসা। ক্লাস সুরু হবার দুই তিন দিন পর আরনিসা থেকে জানতে পারলাম যে  গত দুই মাস আগে তার বিয়ে হয়েছে এক প্রবাসীর সাথে বিয়ের এক মাস পর তার স্বামী আবার আমেরিকা চলে গেছে। আগামী দুই তিন মাসের মধ্যে আরনিসা কে তার স্বামী আমেরিকা নিয়ে যাবে, তাই এই ইংলিশ কোর্স এ ভর্তি হয়েছে। আমি আরনিসার কথা সুনেই তাকে বলে ফেললাম তাহলে আজ থেকে তুমি আমার ভাবি।

নতুন নতুন ফ্রেন্ড বানিয়ে নিজের জ্বালা মিঠাই

আমি রুমেল , ইন্টারমেডিয়েট পাস করার পর গ্রাম থেকে শহরে এসে একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছি। প্রথম দিন ক্লাসে গিয়েই মাথা নষ্ট হয়ে গেল কেননা রাতের বেলা যখন আমি একা একা খারাপ টিভি চ্যনাল গুলির ওয়েস্টারন টাইপের ড্রেস পরা মেয়ে গুলি দেখে হাত মারি ঠিক তেমনি ভাব নিয়ে অনেক দেশীয় মেয়ে এসেছে আমার ক্লাসে। যেমন দেশি কুত্তির শরীরে  রং লাগিয়েও বিদেশি কুত্তি  বানানু যায় না তেমনি হয়েছে এদের অবস্তা না হয়েছে দেশী না হয়েছে বিদেশি। মেয়েগুলি দেখে মন খারাপের চেয়ে আমার ধন খারাপ হওয়া সুরু করল।  তাই সিদ্দান্ত নিলাম এদের সাথে বিদেশি কুকুর সেজেই কাম করতে হবে, তা না হলে উপুস করে সুদু হাত মেরেই যেতে হবে।

নারীর বুক ফাটে কিন্তু মুখ ফাটেনা

সামিয়া ভাবী তার চোদন কাহীনি বলছে এভাবে- ” আমি প্রায় অসুস্থটায় ভোগতাম,আমার স্বামি তথন বাড়ীতে না থাকায় মাঝে মাঝে প্রচন্ড যৌন উত্তেজনা উপলব্ধি করতাম, যৌনতার অদম্য আকাংখা দমন করতে করতে আমি এক প্রকার ভয়ংকর রোগগ্রস্থ হয়ে পরতে শুরু করি, যরায়ুতে এক প্রকার চুলাকানির উদ্ভব হয়,যখন চলকানি শুরু হয় মনে হয় তখন পৃথিবীর সব বাড়া আমার সোনায় ঢুকিয়ে প্রচন্ড বেগে খেচিয়ে দিই,কিন্তু নারীর বুক ফাটেত মুখ

নাটক করেই হোক আর জোর করেই হোক ফ্লাটে নিতেই হবে

আমি মিশু, আমি একটি সাইবার ক্যাফ চালাই। সাইবার ক্যাফটি একটি মহিলা কলেজের পাশে তাই  বেশীর ভাগ সময় মেয়েরাই আসে।  যারা যারা সাইবার ক্যাফে এসে ইন্টারনেট ব্রাউস করে তাঁরা বেশীর ভাগই বুঝেনা ব্যবহার করার পর কি করে হিস্ট্রি মুছতে হয়। মেয়ে কিংবা আন্টি কোন কোন পিসি তে বসে ইন্টারনেট ব্রাউস করে তা আমি মনজুগ সহকারে খেয়াল রাখি, ইন্টারনেট ব্রাউস শেষ করার পর যখন চলে যায় তারপর ঐ পিসির হিস্ট্রি থেকে তার তথ্য কালেক্ট করাই আমার অব্যাস।  এভাবে এক বছর আগে ইন্টারমেডিয়েট পড়ে এমন একটি মেয়ের সব তথ্য কালেক্ট করি তারপর আমি  তার ফেসবুক প্রোফাইলে গিয়ে দেখি শুধু কার্টুনের ছবি, কিন্তু আমি জানি মেয়েটি কত সুন্দর আর সেক্সি বেশি দেরি না করে সাথে সাথে তাকে ফেসবুকে রিকুয়েস্ট পাঠাই সে একদিন পর একসেপ্ট করে আমাকে বলে- সে জানতে চায় কি জন্য আমি একটা কার্টুনের সাথে বন্ধুত্ব করতে চাই। আমি বললাম দরিমন আমার প্রিয় একটি কার্টুন যারা দরিমন কার্টুনের ছবি প্রফাইল হিসেবে ব্যবহার করে তাদের সবাইকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাই।

ধর্ষন হলেও খুব বেশী মজা পেয়েছিলাম

সহজে কারো সাথে মিশে যাওয়া , হাস্যরস করা , কথার ফাঁকে চোখ মারা কত যে খারাপ এবং নিজের জন্য কত যে বিপদ বয়ে আনে সে ব্যাপারটা আমি বহুবার টের পেয়েছি । আমার মধ্যে যৌনউম্মত্ততা থাকা সত্বে ও আমি সেদিন নিজকে ধর্ষিতা হিসাবে ধরে নিয়েছি । নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাহা ঘটে তা দুর্ঘটনা এবং অবশ্যই নিজের ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোন মেয়েকে যৌনভোগ করা ধর্ষন । আপার বিবাহোত্তর অনুষ্ঠানের কথা চলছিল , তার শশুর বাড়ী হতে মেহমান এসেছে , কয়েকজন মুরুব্বিদের সাথে তিনজন যুবক ও এসেছে , তারা কেউ আমার আপন বেয়াই নয় , মুখবোলা ভাই হিসাবে বেয়াই হয় বটে , তিনজনই দেখতে হ্যান্ডসাম এবং সুন্দর চেহারার অধিকারী , আমার গুরুজনেরা বাদশা দা , লেদু দা বাবা কাকা সবাই মুরুব্বি মেহমান দের আপ্যায়নে আর আমি আমার মুখবোলা বেয়াইদের কে আপ্যায়নে ব্যস্ত হয়ে গেলাম ।