Posts

Showing posts from May, 2014

তুমি কি আমার পাছা মারার স্বামী হবে

ফেসবুকে উত্তরার এক সুন্দরি ভাবীর সাথে পরিচয় প্রায় এক বছর আগে থেকে । উনার স্বামী উত্তরার এক প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির টিচার । উনি ফেসবুকে আসলেই আমরা চটি গল্প আর ভিবিন্ন খারাপ ছবি নিয়ে আলাপ আলোচনা করি । গত   সোম বার সকাল বেলা ভাবী আমাকে বল্ল তুই কি   চটি৬৯ এর পাছা দিয়ে মারার গল্প টি পড়েছিস ?  আমি বললাম না ভাবী । ভাবী বল্ল সমস্যা নেই আমি লিঙ্ক পাঠিয়ে দিচ্ছি তুই এখুনি পড়ে আমাকে রেস্পন্স কর । আমি বললাম ঠিক আছে ভাবী এখুনি পড়ে আমি আপনার সাথে এ নিয়ে আলাপ আলোচনা করছি । আমি তাঁরা তারি গল্প টি পড়ে ভাবীকে বল্লাম আমি গল্পটি পরেছি , কিন্তু ভাবী প্রথমে আমি জানতে চাই গল্পটি পড়ে আপানার অনুভুতি কি  ? ভাবী বল্ল , গল্পটি পড়ে আমার অনেক দিনের শখ পাছা দিয়ে মারানুর   কথা মনে পরে গেল ।

দুলাভাই আমি চাই তোমার মালটা আমার ভিতরে থেকেই আউট হউক

আমি রাতুল, বয়স ২৬, পেশায় একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার। ঢাকার অদুরেই আমার বসবাস। আমি গত বছর পাশের জেলার বিরাট নামীদামী এক পরিবারের সুন্দরী বড় মেয়েটাকে আমার বউ বানিয়ে আনি। আমি এর চেয়ে আরও বেশী ভাগ্যবান যে, আমার দুইটা সেক্সি সুন্দরী শালিকা আছে। বড় শালিকা কণিকা (২০), ছোট শালিকা আনিকা (১৮)। তারা উভয়ই স্নাতক(সম্মান) এ পড়ালেখা করছে। আমাদের মধ্যে খুবই সুন্দর শালী দুলাভাই সম্পর্ক। সর্বদাই ইয়ার্কি, কৌতুক বা টিপ্পনি কেটেই আমাদের মধ্যে হাসি ঠাট্টা চলত।

আরামে, আনন্দে মরে যেতে ইচ্ছা করছে

মাধ্যমিকের পর থেকেই টিউশন পরানো শুরু করেছিলাম আমি । আমার প্রথম স্টুডেন্টের নাম রাহুল । পাশের পাড়ায় থাকে । ওর মা অপর্ণা কাকিমা আমার মাকে আগে থেকে চিনতো । রাহুল তখন ক্লাশ সিক্সে পরে । ভীষণ মনোযোগী ছাত্র । ওকে পড়াতে খুব ভাল লাগতো । যা হোমওয়ার্ক দিতাম কোনদিন মিস করতো না । পরীক্ষায় এক থেকে পাঁচের মধ্যে রাঙ্ক করতো । আর সুনাম বাড়তো আমার । ওর ভাল রেজাল্ট দেখে ওদের স্কুলের অনেকেই আমার কাছে পড়া শুরু করলো । রাহুলরা বেশ বড়লোক । ওর বাবা দুবাইতে চাকরি করতেন ।

সেরা সুন্দরি হবার জন্য সুন্দর পরিবার ধ্বংস

আমি মৌলী , আমি আজ আমার জীবনের একটি গল্প বলব যা অনেকের কাছে অবাস্তব মনে হলেও আমার কাছে পুরুটাই বাস্তব । আমি ছোট থেকেই দেখতে খুব সুন্দর আর সেক্সি , যখন স্কুলে পরি ঠিক তখন থেকেই আমার মডেল হবার ইচ্ছা ছিল , তাই আমার বয়স যখন ১৮ বছর তখন আমার আব্বু আম্মু আমার অ - মতে আমাকে   বিয়ে দিয়ে দেয় । আমার স্বামী জানে যে আমি সেরা সুন্দরি হবার জন্য সব কিছু করতে রাজি তাই আমি যাতে মডেলিং এ যেতে না পারি সে জন্য সে আমাকে বলেন বিয়ের এক বছরের মধ্যেই বাচ্চা চাই । বিয়ের এক বছর পর আমার একটি ছেলে হল কিন্তু আমার চেহারা আরও বেশী উজ্জল আর সেক্সি হয়ে গেল । বাচ্চা হবার ছয় মাস পর এক নামি দামী পত্রিকায় দেখলাম সুন্দরি প্রতিজুগিতার জন্য রেজিস্টেসন চলছে , তা দেখে আমার মডেলিং হবার ইচ্ছা আরও বেড়ে গেল ।

তুমার ডিস্টার্ব আমার আশীর্বাদ

আমি সাকিল, প্রতিদিন সকাল বিকেল এবং রাতে নতুন নতুন চটি গল্প না পড়লে আমার কোন কিছুতে মন বসে না। তাছাড়া ইদানিং জবে আমার চটি পড়াই জব হয়ে দারিয়েছে। গতকাল বিকেলে বাসার ছাদে বসে টেবলেট দিয়ে চটি৬৯ এ চটি গল্প পরছিলাম হঠাৎ করে পিছন থেকে আমাদের নিচের ফ্লাটের মেয়ে সামিয়া এসে বলছে ভাইয়া অনেক গরম পরছে বাসায় বিদ্যুৎ নাই তাই ছাদে এসেছি। আমি বললাম সমস্যা নেই এসেছ যেহেতু চেয়ারে বস।  "সামিয়া যেমন লম্বা তেমন দেখতে খুব সুন্দর। তার পাছা আর টাইট বুক দুটা ছিলো আমার স্বপ্ন। সে প্রায়ই আমাদের ফ্লাটে আসতেন, চান্স পেলেই আমি তার বুকে হাতের কনুইএর ঘষা লাগাতে ছাড়তাম না, ভাবটা এমন যে লেগে গেছে, সে কখনো মাইন্ড করছেন বলেও মনে হয় না, বরং একটা সময় মনে হতো সে আমার হাতের ঘষাই খেতে চাইছেন।"

এখন থেকে তুমি আমার পার্ট টাইম স্বামী

Image
আমার নাম বাবু। এলাকার সবাই আমাকে সুনা বাবু বলে ডাকে। আমার বন্ধু জেমস গত মাসে বিয়ে করেছে এজন্য মনে অনেক কষ্ট ছিল এই ভেবে “বন্ধু বিয়ে করে ফেলেছে আমারটা কখন হবে”। তাই বন্ধু কে বলেছিলাম তুই বিয়ে করছিস আমাকে একটু আসে পাশে রাখিস যাতে কিছু শিখতে পারি। জেমস বলল তুই আমার জানের দুস্ত তুই বিয়ের প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত আমার সাথে থাকবি, যা যা করতে হবে তা তকেই করতে হবে। জেমস এর কথা সুনে খুসিতে তার বিয়ের দুইদিন আগেই  তার বাড়িতে চলে গেলাম- তারপর জেমস তার বিয়ের গায়ে হলুদ থেকে সুরু করে বাসর ঘর পর্যন্ত সব কিছুর দায়িত্ব আমাকেই দিল, আমি চিন্তায় পরে গেলাম কি করে এত দায়িত্ব পালন করব। আমি সব কিছুই আপন মনে করছিলাম কিন্তু সমস্যাটা হল যেদিন আমি জেমসের বউয়ের বাসায় গায়ে হলুদ অনুস্টানে গেলাম।  জেমস এর বউ জেবার সাথে পরিচয় হবার পর জেবা আমাকে বল্ল আপনার বন্ধু জেমস সম্পর্কে আপনার সাথে আমার কিছু কথা আছে? আমি বললাম এখুনি বলে ফেলুন। জেবা বলল- গায়ে হলুদ পর্ব শেষ হবার পর আমার সাথে একা কিছু কথা বলবে। আমি গায়ে হলুদ পর্ব শেষ হবার পর জেবার কাছে গেলাম সে সবাই কে বলল আপনার একটু এখান থেকে যান আমি বাবুর সাথে জেমস সম্পর্কে ক...

এইটা ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট না মজার রিকুয়েস্ট

আমি আদনান সামি। আমার বন্ধু অর্ণব এর কাছ থেকে সুনেছি ফেসবুকে মেয়ে পটিয়ে মজা করা খুবই সহজ, তাই অর্ণব কে দিয়েই একটা ফেসবুক আইডি খুলেফেললাম। অর্ণব আমাকে বল্ল যদি প্রফাইল পিকচার হিসবে একটা মোটা লম্বা ধন ব্যবহার করি তাহলে মেয়ে গুলিই আমাকে খুঁজবে আমার তাদেরকে সার্চ দিয়ে দিয়ে খুজতে হবে না। অর্ণবের কথা মত আমি একটা মোটা লম্বা ধনের ছবি এক ওয়েব সাইট থেকে ডাউনলোড করে আমার প্রফাইল পিকচার হিসেবে লাগিয়ে দিলাম এবং প্রফাইলে আমার নাম দিয়ে দিলাম "চুদতে চাই"।

যখন খুসি চলে আসবেন শুধু কাওকে বলবেন না

Image
আমি মিথুন। আজ মন মেজাজ খুব একটা ভাল না তাই চিন্তা করলাম, হোটেলের ম্যানেজার সামসুকে একটা কল দিয়ে দেখি কোন কচি মালের খবর আছে কি না।সামসুকে কল দিতেই আমাকে বল্ল - মিথুন ভাই গত সাপ্তাহে একটা মাল এসেছে এখনও একদম কচি মাত্র কয়েক জন কাস্টমার খেয়েছে, আপনি খেয়ে অনেক মজা পাবেন আজ বিকেলে চলে আসুন আমাদের এখানে। সামসুর কথা সুনে আর ঠিক থাকতে পারলাম না তাই বিকেলে ডাক্তারের দোকান থেকে দুই প্যাকেট কনডম কিনে চলে গেলাম হোটেলে। হোটেলে যাবার পর সামসু আমাকে বল্ল আজ রেট একটু বেশি দিতে হবে। আমি সামসুকে বল্লাম সালা রেট লাগে রেট দশ গুন বেশি নিবি আগে খেতে দে। তারপর সামসু আমাকে বল্ল-মিথুন ভাই ৪২০ নাম্বার রুমে চলে যান, আগে গিয়ে দেখেন যদি পছন্দ না হয় আরেক টা পাঠিয়ে দিচ্ছি। আমি সামসুর কথা সুনে ৪২০ নাম্বার রুমে চলে গেলাম, গিয়ে দেখি একটা মেয়ে ব্রা আর পেন্তি পরা অবস্তায় বিসানায় উপুর হয়ে সুয়ে কান্না কাঁটি করছে। মেয়েটির পেছন দিক থেকে দেখেই আমার দন মহারাজ স্যালুট দিচ্ছে, আমি পেন্টের চেইন টা খুলে ধন মহারাজ কে মুক্ত করে  পেছন দিক থেকে মেয়েটির উপর জাপিয়ে পরলাম, মেয়েটি চীৎকার করে তার মাথা আমার দিকে ঘুরাতেই আমি চুপ হয়ে গেলা...